Home / মিডিয়া নিউজ / জুব্বা-পাগড়ীতে অনন্ত জলিলকে দেখে হতভম্ব বিদেশি ক্রেতারা!

জুব্বা-পাগড়ীতে অনন্ত জলিলকে দেখে হতভম্ব বিদেশি ক্রেতারা!

চিত্রনায়ক এবং ব্যবসায়ী অনন্ত জলিল যে বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে দীর্ঘ পনের বছর ধরে ব্যবসা করে

আসছেন, তারা এই প্রথম তাকে দেখে হতভম্ব হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। নিজের নতুন

ধরণের পোশাকের কারণে তার ক্রেতারা হতভম্ব হয়েছে বলে তিনি জানান। নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব তথ্য জানান।

ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসে অনন্ত জলিল লিখেন, ‘বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম। আশাকরি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালোই আছেন। আজকে আপনাদের সাথে আমি একটি সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করবো।

ব্যবসায়িক কাজে আমাকে বিদেশি বায়ারদের সাথে অধিকাংশ সময়ই মিটিং করতে হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমার ফ্যাক্টরিতে বিদেশী বায়ারদের সঙ্গে একটি মিটিং ছিল। যথারীতি আমি মিটিং এ উপস্থিত হই। কিন্তু যে বায়ারদের সঙ্গে আমি দীর্ঘ পনের বছর ধরে ব্যবসা করে আসছি, তারা এই প্রথম আমাকে দেখে হতভম্ব হয়ে গেল। কারণ একটাই, আমার পোশাক।

তারা আমার পোশাকের বেশ প্রশংসা করে বলেন, এই পোশাকেই তোমাকে বেশ ভালো লাগছে। সাথে জানতেও চেয়েছেন এই ড্রেসটা কেন পরেছি। তখন আমি তাদেরকে বুঝিয়ে বলি, যেহেতু আমি মুসলমান আর এটা আমাদের সুন্নতি ড্রেস। এ কথা শুনে বিদেশি বায়ারগন আমাকে আবারো এপ্রেসিয়েট করেন। তখন তারা বলে উঠেন, ওয়াও… যদি এটা ইসলামি ড্রেস হয়ে থাকে, তাহলে কেন বাংলাদেশের সকলে এ ড্রেস পরে না?

তাদের এ প্রশ্নের উত্তরে আমি বলি, বাংলাদেশে এ ড্রেস পরে না এমন নয়, হয়তো সবাই পরে না এটা সঠিক। কিন্তু যারা ইসলামী বিষয়ে পড়াশুনা করে, যখন নামাজ পড়তে যায় তখন ও ইসলামী ড্রেস পরেন, কেউ কেউ আবার শুক্রবারে জুমার নামাজ পড়তে ড্রেসটি পরে থাকে।

তাদেরকে এ বিষয় বলার পর আমার একটা আশার কথা বলি যে, এখন হয়তো অল্প সংখ্যক মানুষ আমার মতো এই ড্রেস পরেন, তবে একটা সময় আসবে যখন দেখবো বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের গায়েই ইসলামী পোশাক। আর এ যাত্রার শুরুটাই করবে যুব সমাজ।’

Check Also

‘তুমি এতটা জনপ্রিয় আমার ধারণাই ছিল না’

বাবার আদর সোহাগে বেড়ে উঠেছেন, বড় হয়েছেন এবং একজন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পীতে পরিণত হয়েছেন মেয়ে। বাবা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *